ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের অকৃত্রিম বন্ধু : ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার

Amader AtraiAmader Atrai
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০২:৪৫ PM, ০২ অক্টোবর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক শামীনূর রহমানঃ

ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটী বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের অকৃত্রিম বন্ধু। তাই ভারতীয় জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি ও আদর্শকে বুকে ধারন, লালন ও পালন করে তার স্বপ্নের লাল সবুজের বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করছে বর্তমান সরকার।

শনিবার (২ অক্টোবর) সকালে গান্ধী আশ্রম, বঙ্গীয় রিলিফ কমিটি (খাদি আশ্রম) চত্বরে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর ১৫২তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে গান্ধীজির ভাস্কর্যের উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভাস্কর্যের উদ্বোধন শেষে কেক কেটে গান্ধীজির জন্মবার্ষিকী উদযাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটী।

ভাস্কর্য উদ্বোধন শেষে আত্রাই উপজেলার গান্ধী আশ্রমে বঙ্গীয় রিলিফ কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক ফজলে রাব্বী জুয়েলের সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা ওহিদুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইকতেখারুল ইসলাম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নৃপেন্দ্রনাথ দত্ত দুলাল, সম্পাদক আক্কাস আলী, সহ-সভাপতি চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল, ইউপি চেয়ারম্যান আল্লামা শের-ই বিপ্লব, যুবলীগ সভাপতি শেখ হাফিজুল ইসলাম, ছাত্রলীগ সভাপতি মাহদি মসনদ স্বরুপ, সম্পাদক হুমায়ন কবির সোহাগ, বাগমারা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম সান্টু প্রমুখ।


উল্লেখ্য, ইংরেজ সম্রাজ্যবাদের নির্যাতনের যাঁতাকলে যখন পিষ্ঠ ভারতবাসী। তাদের জুলুম ও নিপীড়নে অতিষ্ঠ বিস্তীর্ণ জনপদের মানুষ। সে সময় ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনের ডাক দিয়ে জনমনে জায়গা করে নেন ভারতবর্ষের কিংবদন্তী মহাত্মা গান্ধী। হিন্দু-মুসলমানের ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ধর্ম বর্ণের উর্ধ্বে থেকে তিনি এ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ইংরেজদের পণ্য বর্জন করে দেশীয় পণ্য ব্যবহারে জনমত সৃষ্টি করেন। জনশ্রুতি আছে যে তিনি এ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ১৯২৫ সালে আত্রাই এসেছিলেন। সে সময় তিনি আত্রাই রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন আজকের এই গান্ধী আশ্রমে অবস্থান করে এলাকার অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করেন। একই সাথে এলকাবাসীকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে তিনি এখানে খদ্দর কাপড় তৈরির তাঁত শিল্প স্থাপন, খাঁটি সরিষার তেলের জন্য ঘানি স্থাপনসহ অনেক স্মৃতিচিহ্নই গড়ে তোলেন।

 502 total views,  2 views today

আপনার মতামত লিখুন :